নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর পুনর্নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। এর আওতায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া মুছাপুর রেগুলেটর ও ক্লোজার পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নের উদ্যোগ রয়েছে।
২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে অবস্থিত ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এরপর ছোট ফেনী নদী ও আশপাশের এলাকায় নদীভাঙন, বন্যা, জোয়ারের পানি ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত রেগুলেটর পুনর্নির্মাণ এবং পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে দাবি ছিল।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর উপকূলীয় এলাকার নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে প্রকল্পের বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অবৈধ চাঁদাবাজি, অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাৎ যেন না ঘটে, সে বিষয়ে স্থানীয়দের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা দক্ষিণ শাখার বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক গাজী ইমরান হোসেন।
তিনি কোম্পানীগঞ্জবাসীকে প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন থাকার পাশাপাশি যেকোনো অনিয়ম বা অবৈধ চাঁদাবাজির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন করা হবে।


গাজী ইমরান হোসেন 














