ঢাকাSunday , 19 April 2026
  1. Uncategorized
  2. অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
  3. আইন বিচার
  4. আজ দেশজুড়ে
  5. আজকের সর্বশেষ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কৃষি সংবাদ
  8. খাদ্য ও পুষ্টি
  9. খুলনা
  10. খেলাধুলা
  11. চট্টগ্রাম
  12. চাকরি-বাকরি
  13. ছড়া
  14. জাতীয়
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেলার অনুমতির নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সোনাইমুড়ীর ইউএনওর সিএ’র বিরুদ্ধে।

Link Copied!

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সিএ) আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে অবৈধ মেলা আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে জেলা সদর উপজেলায় বদলি করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া বাজারে একটি মেলা আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা দাবি করেন আবদুল মতিন।

এর মধ্যে প্রথম দফায় এক লাখ টাকা পরিশোধ করেন আয়োজকরা, বাকি ৫০ হাজার টাকা পরে দেওয়ার কথা ছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসনিক অনুমতি ও সহযোগিতার আশ্বাসে তারা এ অর্থ প্রদান করেন।

তবে পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বীন আল জান্নাতের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে আয়োজিত মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর আয়োজকরা প্রদত্ত অর্থ ফেরত চাইলে তা আর ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেন তারা।

এ ঘটনায় চট্টগ্রামের বাসিন্দা মেলা আয়োজক সোহেলের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এক প্রার্থীর স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া হয়। অভিযোগে অর্থ গ্রহণের পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে আবদুল মতিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আক্তার বলেন, “মেলার বিষয়টি আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অর্থ লেনদেনের বিষয়টি আমার জানা নেই।” তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সদর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।

এদিকে, অভিযোগ রয়েছে—তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে অভিযুক্তকে নোয়াখালী সদর উপজেলায় একই পদে বদলি করা হয়েছে, যা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের প্রশ্ন, একজন অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে কেন গুরুত্বপূর্ণ জেলা সদরে দায়িত্ব দেওয়া হলো?

স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ছিল। অনেকেই তাকে শাস্তিমূলকভাবে দুর্গম এলাকায় বদলি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদের সাইটে আমরা নিজস্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি দেশের এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করে নির্ভুল সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। আমরা সবসময় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে, যদি কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম বা নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য। এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
%d bloggers like this: