Dhaka , Wednesday, 28 October 2026
ব্রেকিং নিউজ :
fa fa-square নোয়াখালীতে কমিটি অনুমোদনের সাড়ে ৪ ঘণ্টার মধ্যে এনসিপি নেতার পদত্যাগ fa fa-square নোয়াখালীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত fa fa-square সুবর্ণচরে স্ত্রীর স্বজনদের বিরুদ্ধে স্বামীকে মারধরের অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় আবেদন fa fa-square হাতিয়ায় শিক্ষার্থীদের পাশে উপজেলা প্রশাসন, বিতরণ করল ৩০০ স্কুল ব্যাগ fa fa-square দাম্পত্য কলহের জেরে কোম্পানীগঞ্জ থানার গেটের সামনে দুই পক্ষের মারামারি, আটক ৫ fa fa-square নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪০ fa fa-square সেনবাগে সবজি তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারীর মৃত্যু, মেয়ে গুরুতর আহত fa fa-square হাতিয়ায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ পামওয়েল জব্দ fa fa-square সুবর্ণচরে পুকুরে গোসলে নেমে দুই বোনের মৃত্যু fa fa-square নোয়াখালীতে সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট

সরকারি দলকে ক্ষমতা দিতেই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আইন: বিএনপি

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আইন-২০২০ সরকারি দলকে সর্বময় ক্ষমতা দিতে করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কোনো কথাই শুনে না। তাদের দায়িত্ব সরকারের এজেন্ডাকে বাস্তবায়িত করা। তারা সেই কাজই করে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী আইনে তারা যে প্রস্তাব দিয়েছে- এটা অসৎ উদ্দেশ্যেই প্রস্তাব করেছে’। এর উদ্দেশ্যে ও লক্ষ্য একটাই, সরকারি দলকে সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশনকে একটা ঠুঁটো জগন্নাথে পরিণত করা।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন আইনের বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত আইনে অনেক মৌলিক বিধানই বদলে ফেলেছে। তারা যে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে সেই আইনের একটা বড় অংশ… ধারা ৬৬ থেকে আরম্ভ করে প্রায় ৮৪ পর্যন্ত- এর কোনোটাই স্থানীয় সরকারের প্রচলিত যেসব আইন রয়েছে তার মধ্যে নেই।

এসব আছে বিধিমালার মধ্যে। কিন্তু প্রস্তাবে তো নির্বাচন কমিশন আগে বলেনি যে বিধিমালা থেকে এনে নতুন আইন করা হবে। কিন্তু বাস্তবে তারা সেটা করেছে। অর্থাৎ তারা যেটা বলেছে সেখান থেকে সরে গেছে।

তিনি বলেন, নতুন আইনের প্রস্তাবে রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার এর দীর্ঘদিনের পদবিগুলো বাংলাকরণের প্রস্তাব, ফেরারি আসামিদের নির্বাচন করতে না দেওয়া, প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগগুলোকে নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত না করা, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক মনোনয়ন দেওয়া, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগের তালিকা বৈধ প্রার্থীদের দেওয়ার ব্যবস্থা না রাখা, ভোট গণনার সময়ে প্রার্থীদের এজেন্টদের না রাখা ইত্যাদি ব্যাপারে দলের আপত্তি তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘আমরা দাবি করছি, পৃথক পৃথক আইন থাকা সত্ত্বেও তাদের একীভূত করে চলমান করোনা সংকটকালে প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী আইন-২০২০ প্রণয়নের এ অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক উদ্যোগ থেকে কমিশন বিরত থাকবে। এটা আমরা আশা করছি। ’

নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইনের বিষয়ে পর্যালোচনা করতে বিএনপি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে আহ্বায়ক করে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।

এ কমিটি মতামত ও সুপারিশ সম্বলিত প্রতিবেদন প্রণয়ন করে যা গত ৩১ অক্টোবরের মধ্যে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় অনুমোদন পায়। পরে দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল রোববার (১ নভেম্বর) এসব সুপারিশসহ দলের মহাসচিবের একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

নোয়াখালীতে কমিটি অনুমোদনের সাড়ে ৪ ঘণ্টার মধ্যে এনসিপি নেতার পদত্যাগ

সরকারি দলকে ক্ষমতা দিতেই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আইন: বিএনপি

প্রকাশিত: 05:50:17 pm, Monday, 2 November 2020

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আইন-২০২০ সরকারি দলকে সর্বময় ক্ষমতা দিতে করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কোনো কথাই শুনে না। তাদের দায়িত্ব সরকারের এজেন্ডাকে বাস্তবায়িত করা। তারা সেই কাজই করে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী আইনে তারা যে প্রস্তাব দিয়েছে- এটা অসৎ উদ্দেশ্যেই প্রস্তাব করেছে’। এর উদ্দেশ্যে ও লক্ষ্য একটাই, সরকারি দলকে সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশনকে একটা ঠুঁটো জগন্নাথে পরিণত করা।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচন আইনের বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত আইনে অনেক মৌলিক বিধানই বদলে ফেলেছে। তারা যে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে সেই আইনের একটা বড় অংশ… ধারা ৬৬ থেকে আরম্ভ করে প্রায় ৮৪ পর্যন্ত- এর কোনোটাই স্থানীয় সরকারের প্রচলিত যেসব আইন রয়েছে তার মধ্যে নেই।

এসব আছে বিধিমালার মধ্যে। কিন্তু প্রস্তাবে তো নির্বাচন কমিশন আগে বলেনি যে বিধিমালা থেকে এনে নতুন আইন করা হবে। কিন্তু বাস্তবে তারা সেটা করেছে। অর্থাৎ তারা যেটা বলেছে সেখান থেকে সরে গেছে।

তিনি বলেন, নতুন আইনের প্রস্তাবে রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার এর দীর্ঘদিনের পদবিগুলো বাংলাকরণের প্রস্তাব, ফেরারি আসামিদের নির্বাচন করতে না দেওয়া, প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগগুলোকে নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত না করা, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক মনোনয়ন দেওয়া, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগের তালিকা বৈধ প্রার্থীদের দেওয়ার ব্যবস্থা না রাখা, ভোট গণনার সময়ে প্রার্থীদের এজেন্টদের না রাখা ইত্যাদি ব্যাপারে দলের আপত্তি তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘আমরা দাবি করছি, পৃথক পৃথক আইন থাকা সত্ত্বেও তাদের একীভূত করে চলমান করোনা সংকটকালে প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী আইন-২০২০ প্রণয়নের এ অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক উদ্যোগ থেকে কমিশন বিরত থাকবে। এটা আমরা আশা করছি। ’

নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইনের বিষয়ে পর্যালোচনা করতে বিএনপি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে আহ্বায়ক করে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।

এ কমিটি মতামত ও সুপারিশ সম্বলিত প্রতিবেদন প্রণয়ন করে যা গত ৩১ অক্টোবরের মধ্যে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় অনুমোদন পায়। পরে দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল রোববার (১ নভেম্বর) এসব সুপারিশসহ দলের মহাসচিবের একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করেন।