Dhaka , Tuesday, 6 October 2026
ব্রেকিং নিউজ :
fa fa-square বিশ্ব শিক্ষক দিবসে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা পেলেন নোবিপ্রবির অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন fa fa-square কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে, fa fa-square নোয়াখালীতে দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতি করে ক্ষোভে শিক্ষা জীবনের সার্টিফিকেট পুড়িয়ে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী fa fa-square প্যারিসে ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ দাবিতে মানববন্ধন fa fa-square নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের মর্যাদা ও বৈষম্য দূরীকরণে জাতীয়করণের দাবি fa fa-square কোম্পানীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ফারুক ভূঞার ৯ম স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত fa fa-square নোয়াখালীতে গ্রামবাংলার মানুষের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম (বিজ)-এর নতুন শাখার উদ্বোধন fa fa-square মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, পিবিআইয়ের জালে দুই কিশোর, fa fa-square মৎস্য খামারি ও যুবদল কর্মী রনি হত্যা: পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি fa fa-square নোয়াখালীতে বারবিকিউ পার্টিতে ‘মাদক সেবনে তরুণের মৃত্যু, অসুস্থ ৪

নোয়াখালীতে দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতি করে ক্ষোভে শিক্ষা জীবনের সার্টিফিকেট পুড়িয়ে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী

দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর পারিবারিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের শিক্ষা জীবনের সব সার্টিফিকেট পুড়িয়ে দিয়েছেন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের এক কর্মী।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে নিজের অর্জিত শিক্ষা সনদগুলো পুড়িয়ে ফেলেন আবদুর রহীম তৌহিদ। তিনি চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

আবদুর রহীম তৌহিদের দাবি, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এ সময় রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি পারিবারিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি জেল-জুলুম ও বিভিন্ন ধরনের হয়রানিরও শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পর নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের কাছে বিভিন্ন সহযোগিতা চেয়েও তা পাননি। এতে ক্ষোভ ও অভিমানে তিনি নিজের শিক্ষা জীবনের সব সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন।

আবদুর রহীম তৌহিদ বলেন, “এই সার্টিফিকেট দিয়ে কী হবে! দীর্ঘ বছরের পর বছর নিজের টাকা, শ্রম এবং জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করে বিএনপি করেছি। দলের জন্য নিজের সব উজাড় করে দিয়েছি। নিজের পরিবার ও সন্তানদের কষ্ট দিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “গত ২৪-এর পরবর্তী সময়ে এবং বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের পর আমরা ত্যাগী কর্মীরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। আমাদের চেয়ে নব্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নেতাদের কাছে বেশি।”

তৌহিদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থেকে ত্যাগ স্বীকার করার পরও প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

“তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নিজের সব অর্জন, শিক্ষা জীবনের সব সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলব। আজ সেই কাজটিই করেছি,” বলেন তিনি।

ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয়

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা পেলেন নোবিপ্রবির অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন

নোয়াখালীতে দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতি করে ক্ষোভে শিক্ষা জীবনের সার্টিফিকেট পুড়িয়ে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী

প্রকাশিত: 03:29:25 pm, Monday, 5 October 2026

দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর পারিবারিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের শিক্ষা জীবনের সব সার্টিফিকেট পুড়িয়ে দিয়েছেন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের এক কর্মী।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে নিজের অর্জিত শিক্ষা সনদগুলো পুড়িয়ে ফেলেন আবদুর রহীম তৌহিদ। তিনি চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

আবদুর রহীম তৌহিদের দাবি, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এ সময় রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি পারিবারিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি জেল-জুলুম ও বিভিন্ন ধরনের হয়রানিরও শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পর নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের কাছে বিভিন্ন সহযোগিতা চেয়েও তা পাননি। এতে ক্ষোভ ও অভিমানে তিনি নিজের শিক্ষা জীবনের সব সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন।

আবদুর রহীম তৌহিদ বলেন, “এই সার্টিফিকেট দিয়ে কী হবে! দীর্ঘ বছরের পর বছর নিজের টাকা, শ্রম এবং জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করে বিএনপি করেছি। দলের জন্য নিজের সব উজাড় করে দিয়েছি। নিজের পরিবার ও সন্তানদের কষ্ট দিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “গত ২৪-এর পরবর্তী সময়ে এবং বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের পর আমরা ত্যাগী কর্মীরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। আমাদের চেয়ে নব্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নেতাদের কাছে বেশি।”

তৌহিদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থেকে ত্যাগ স্বীকার করার পরও প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

“তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নিজের সব অর্জন, শিক্ষা জীবনের সব সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলব। আজ সেই কাজটিই করেছি,” বলেন তিনি।

ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।