নোয়াখালীর চৌমুহনীতে বিএনপি নেতাসহ দুইজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে চৌমুহনী রেলওয়ে গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হকার্স মার্কেটে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতারা।
সমাবেশে বক্তারা জানান, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক, নোয়াখালী জাতীয় হকার্স সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ও বাঁধন পরিবহনের চেয়ারম্যান হাজী আবুল কাশেম এবং ঢাকার সিনিয়র সাংবাদিক মোশারফ হোসেনের ছোট ভাই ব্যবসায়ী ইয়াছিন সেন্টু অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে চৌমুহনীর ওবায়দুলের চা দোকানের সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
এ সময় আবুল কাশেমের হাতে গুলির আঁচড় লাগে এবং ইয়াছিন সেন্টুর বুকের বাম পাশে গুলি বিদ্ধ হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ইয়াছিন সেন্টুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) এএনএম ইমরান খান বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।”
তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

