Dhaka , Thursday, 29 October 2026
ব্রেকিং নিউজ :
fa fa-square বসুরহাটে বাসার তালা অক্ষত, আলমারি ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগ fa fa-square নোয়াখালীতে ডিবির অভিযানে দেড় কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার fa fa-square ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত, fa fa-square নোয়াখালীতে কমিটি অনুমোদনের সাড়ে ৪ ঘণ্টার মধ্যে এনসিপি নেতার পদত্যাগ fa fa-square নোয়াখালীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত fa fa-square সুবর্ণচরে স্ত্রীর স্বজনদের বিরুদ্ধে স্বামীকে মারধরের অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় আবেদন fa fa-square হাতিয়ায় শিক্ষার্থীদের পাশে উপজেলা প্রশাসন, বিতরণ করল ৩০০ স্কুল ব্যাগ fa fa-square দাম্পত্য কলহের জেরে কোম্পানীগঞ্জ থানার গেটের সামনে দুই পক্ষের মারামারি, আটক ৫ fa fa-square নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪০ fa fa-square সেনবাগে সবজি তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারীর মৃত্যু, মেয়ে গুরুতর আহত

বসুরহাটে খাল দখল ও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থায় বাড়ছে দুর্ভোগ, দ্রুত উদ্যোগ চায় স্থানীয়রা

শুষ্ক মৌসুমের শেষ প্রান্তে এসে ধীরে ধীরে ঘনিয়ে আসছে বর্ষা। আর বর্ষা মানেই বসুরহাট পৌরসভায় জলাবদ্ধতার পুরনো দুঃসহ অভিজ্ঞতা।

সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়—কখনো হাঁটু, কখনো কোমর সমান পানি জমে জনজীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ।

গত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে এমন চিত্রই নিয়মিত বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে পৌরবাসীর জন্য।

তবে এবার যেন এই ভোগান্তি থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মেলে—এমন প্রত্যাশা থেকেই পৌর প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার বিভিন্ন খাল অবৈধ দখল ও ভরাটের কারণে প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

কোথাও খাল এতটাই সংকুচিত যে তা ড্রেনের মতো মনে হয়। আবার অনেক স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে খালগুলো পরিণত হয়েছে ভাগাড়ে।

বিশেষ করে শংকর বংশী খাল, যা পৌরসভার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম, বর্তমানে দখল ও ময়লার কারণে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এই খাল দিয়ে বাজারসহ আশপাশের এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। কিন্তু পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা শুরুর আগেই খালগুলো দখলমুক্ত করা এবং জমে থাকা ময়লা অপসারণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। এতে পুরো ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রায় ২.৫ বর্গমাইল আয়তনের বসুরহাট পৌরসভায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস। দিন দিন বাড়ছে বহুতল ভবনের সংখ্যা, যার পানি নিষ্কাশন পুরোপুরি নির্ভর করছে ড্রেন ব্যবস্থার ওপর।

কিন্তু খালগুলোতে বাধা সৃষ্টি হলে ড্রেনের পানি উপচে রাস্তায় উঠে আসে, সৃষ্টি হয় তীব্র দুর্গন্ধ এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি।

এ অবস্থায় সচেতন মহল পৌর কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাদের মতে, প্রতিটি ওয়ার্ডে সরেজমিনে পরিদর্শন করে ড্রেন ও খালের বাস্তব চিত্র যাচাই করা জরুরি। পাশাপাশি ড্রেন থেকে খাল এবং খাল থেকে নদীতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।

বর্ষা আসার আগেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া গেলে এবার অন্তত বসুরহাট পৌরবাসী জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয়

বসুরহাটে বাসার তালা অক্ষত, আলমারি ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগ

বসুরহাটে খাল দখল ও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থায় বাড়ছে দুর্ভোগ, দ্রুত উদ্যোগ চায় স্থানীয়রা

প্রকাশিত: 02:16:39 pm, Monday, 23 March 2026

শুষ্ক মৌসুমের শেষ প্রান্তে এসে ধীরে ধীরে ঘনিয়ে আসছে বর্ষা। আর বর্ষা মানেই বসুরহাট পৌরসভায় জলাবদ্ধতার পুরনো দুঃসহ অভিজ্ঞতা।

সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়—কখনো হাঁটু, কখনো কোমর সমান পানি জমে জনজীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ।

গত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে এমন চিত্রই নিয়মিত বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে পৌরবাসীর জন্য।

তবে এবার যেন এই ভোগান্তি থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মেলে—এমন প্রত্যাশা থেকেই পৌর প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার বিভিন্ন খাল অবৈধ দখল ও ভরাটের কারণে প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

কোথাও খাল এতটাই সংকুচিত যে তা ড্রেনের মতো মনে হয়। আবার অনেক স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে খালগুলো পরিণত হয়েছে ভাগাড়ে।

বিশেষ করে শংকর বংশী খাল, যা পৌরসভার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম, বর্তমানে দখল ও ময়লার কারণে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এই খাল দিয়ে বাজারসহ আশপাশের এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। কিন্তু পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা শুরুর আগেই খালগুলো দখলমুক্ত করা এবং জমে থাকা ময়লা অপসারণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। এতে পুরো ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রায় ২.৫ বর্গমাইল আয়তনের বসুরহাট পৌরসভায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস। দিন দিন বাড়ছে বহুতল ভবনের সংখ্যা, যার পানি নিষ্কাশন পুরোপুরি নির্ভর করছে ড্রেন ব্যবস্থার ওপর।

কিন্তু খালগুলোতে বাধা সৃষ্টি হলে ড্রেনের পানি উপচে রাস্তায় উঠে আসে, সৃষ্টি হয় তীব্র দুর্গন্ধ এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি।

এ অবস্থায় সচেতন মহল পৌর কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাদের মতে, প্রতিটি ওয়ার্ডে সরেজমিনে পরিদর্শন করে ড্রেন ও খালের বাস্তব চিত্র যাচাই করা জরুরি। পাশাপাশি ড্রেন থেকে খাল এবং খাল থেকে নদীতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।

বর্ষা আসার আগেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া গেলে এবার অন্তত বসুরহাট পৌরবাসী জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।