Dhaka , Sunday, 13 September 2026
ব্রেকিং নিউজ :
fa fa-square তারেক রহমানের উদ্বোধনে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান, কোম্পানীগঞ্জেও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম fa fa-square জিপিএ-৫ পাওয়া ১২০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিল কোম্পানীগঞ্জ ফ্রেন্ডস সোসাইটি fa fa-square নোয়াখালীতে দুই আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযান, আটক ১৮ fa fa-square কবিরহাটে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা fa fa-square সেনবাগে চোরাই পিকআপ ও ডিমের চালান জব্দ, ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার fa fa-square নোয়াখালীর চাটখিলে ৬৯০ ইয়াবা ও ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী আটক fa fa-square কোম্পানীগঞ্জে ১ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জন আটক fa fa-square প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করলেন নোয়াখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান fa fa-square কোম্পানীগঞ্জে চালককে গলায় ছুরিকাঘাত করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেফতার ২, fa fa-square কোম্পানীগঞ্জে হাসপাতালের সামনে নবজাতক রেখে পালানোর চেষ্টা, তরুণী আটক

নোয়াখালীতে কোরবানির জন্য প্রস্তুত প্রায় দেড় লাখ পশু, চাহিদার চেয়ে বেশি সরবরাহ,

পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে নোয়াখালী জেলায় কোরবানির পশুর ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

জেলার চাহিদার তুলনায় এবার অতিরিক্ত পশু প্রস্তুত থাকলেও পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য ও সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন স্থানীয় খামারিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর নয়টি উপজেলায় এবার কোরবানির জন্য প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। অন্যদিকে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার। ফলে প্রায় ৬ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জেলার বিভিন্ন খামারে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। খামারিরা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়ে কাঁচা ঘাস, খড়, ভুসি, খৈল ও ভুট্টা খাইয়ে পশু মোটাতাজা করছেন। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

কবিরহাট উপজেলার ‘নুর জাহান ডেইরি ফার্ম’ এলাকায় তরুণ উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি খামার। তবে খামার সংশ্লিষ্টরা জানান, পশুখাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং ভারতীয় গরু প্রবেশের শঙ্কার কারণে এবার তারা উৎপাদন কিছুটা কমিয়ে ১১৪টি পশু প্রস্তুত করেছেন।

তাদের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ বন্ধ না হলে স্থানীয় খামারিরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হবেন এবং লোকসানের মুখে পড়বেন।

এদিকে কোরবানির হাটের ভিড় ও ঝামেলা এড়াতে অনেক ক্রেতা এখন থেকেই সরাসরি খামারে গিয়ে পশু কিনছেন।

ক্রেতা রহমত উল্লাহ বলেন, “খামার থেকে সরাসরি পশু কিনলে মাংসের মান নিশ্চিত হওয়া যায়। এছাড়া দামের ক্ষেত্রেও প্রতারণার ঝুঁকি কম থাকে।”

নোয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, জেলায় কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে এবং প্রতিটি পশুর হাটে মেডিকেল টিম কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, “সাধারণত নোয়াখালীতে বাইরের গরু প্রবেশ করে না। তবুও ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধ গরু প্রবেশ ঠেকাতে সরকার কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। খামারিরা যেন ন্যায্যমূল্য পান, সে লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয়

তারেক রহমানের উদ্বোধনে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান, কোম্পানীগঞ্জেও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

নোয়াখালীতে কোরবানির জন্য প্রস্তুত প্রায় দেড় লাখ পশু, চাহিদার চেয়ে বেশি সরবরাহ,

প্রকাশিত: 08:29:53 pm, Thursday, 14 May 2026

পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে নোয়াখালী জেলায় কোরবানির পশুর ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

জেলার চাহিদার তুলনায় এবার অতিরিক্ত পশু প্রস্তুত থাকলেও পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য ও সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন স্থানীয় খামারিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর নয়টি উপজেলায় এবার কোরবানির জন্য প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। অন্যদিকে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার। ফলে প্রায় ৬ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জেলার বিভিন্ন খামারে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। খামারিরা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়ে কাঁচা ঘাস, খড়, ভুসি, খৈল ও ভুট্টা খাইয়ে পশু মোটাতাজা করছেন। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

কবিরহাট উপজেলার ‘নুর জাহান ডেইরি ফার্ম’ এলাকায় তরুণ উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি খামার। তবে খামার সংশ্লিষ্টরা জানান, পশুখাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং ভারতীয় গরু প্রবেশের শঙ্কার কারণে এবার তারা উৎপাদন কিছুটা কমিয়ে ১১৪টি পশু প্রস্তুত করেছেন।

তাদের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ বন্ধ না হলে স্থানীয় খামারিরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হবেন এবং লোকসানের মুখে পড়বেন।

এদিকে কোরবানির হাটের ভিড় ও ঝামেলা এড়াতে অনেক ক্রেতা এখন থেকেই সরাসরি খামারে গিয়ে পশু কিনছেন।

ক্রেতা রহমত উল্লাহ বলেন, “খামার থেকে সরাসরি পশু কিনলে মাংসের মান নিশ্চিত হওয়া যায়। এছাড়া দামের ক্ষেত্রেও প্রতারণার ঝুঁকি কম থাকে।”

নোয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, জেলায় কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে এবং প্রতিটি পশুর হাটে মেডিকেল টিম কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, “সাধারণত নোয়াখালীতে বাইরের গরু প্রবেশ করে না। তবুও ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধ গরু প্রবেশ ঠেকাতে সরকার কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। খামারিরা যেন ন্যায্যমূল্য পান, সে লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”