যেখানে অন্যায়,
সেখানে প্রশ্ন জাগে
যেখানে দুর্নীতি,
সেখানে কলম আজও ভাগে না।
মজলুমের পাশে দাঁড়ানো মানুষটি
তাই অনেকের চোখে অপরাধী,
কারণ সে বিক্রি হয়নি;
নত হয়নি কোনো স্বার্থের কাছে।
অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করলে
শত্রু বাড়ে আপন ঘরেই,
যুক্তিতে যখন হার মানে কেউ,
কুৎসা ছড়ায় তখন শহরজুড়েই।
কখনো ‘রাজাকার’,
কখনো ‘হেলমেট বাহিনী’,
কখনো ‘ফ্যাসিস্ট’;
তকমার ভাষা বদলায়,
কিন্তু উদ্দেশ্য থাকে একই—
সত্যের কণ্ঠ রোধ করা।
সবচেয়ে দুঃখের বিষয়,
কলমের মানুষ হয়েও কেউ কেউ
কলমের স্বাধীনতার বিরোধী হয়ে ওঠে;
সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো সহকর্মীকে
প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে
অপপ্রচারের মঞ্চ সাজায়।
কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা একটাই;
কাদা ছোড়া যায়,
সত্যকে কাদায় ডোবানো যায় না।
মিথ্যার মিছিল দীর্ঘ হতে পারে,
তবু সত্যের পথই শেষ পর্যন্ত টিকে যায়।
সৎ সাংবাদিকের কলম
কারও ব্যক্তিগত শত্রু নয়—
তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে
সমাজের বিবেকের উচ্চারণ।
তাই তকমা নয়,
প্রমাণের কথা বলুন;
কুৎসা নয়,
যুক্তির কথা বলুন।
কারণ সময়ের আদালতে
পরিচয় নয়;
কর্মই সাক্ষ্য দেয়।
সত্যের কলম থামবে না,
সততার পথ হারাবে না;
দিনশেষে জয় হবে
সত্য, ন্যায় ও বিবেকেরই।


মোহাম্মদ উল্যা মিরাজ- শিক্ষক-সাংবাদিক, 



















