কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়া সড়কটি চলাচলের উপযোগী রাখতে ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে প্রয়োজনীয় জায়গা সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের প্রয়োজনীয় জায়গা না রেখে ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হলে ভবিষ্যতে সড়কটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়বে। এতে জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, সড়কটিতে পরপর তিনটি মোড় রয়েছে। এর পাশেই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় সড়কটি সংকুচিত হলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।
এ বিষয়ে নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনের সংসদ সদস্যের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মাস্টার পাড়ার বাসিন্দা ও গণমাধ্যমকর্মী হিমেল আহাম্মেদ।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভূমি অফিস সংলগ্ন মাস্টার পাড়া সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পূর্বে সড়কটি সাবেক ভূমি অফিসের মধ্যখান দিয়ে ছিল। পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সড়কটি ভূমি অফিসের পূর্ব পাশ দিয়ে ড্রেনের ওপর দিয়ে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের ক্ষেত্রে মাস্টার পাড়া সড়কের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রাখা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে সড়কটি সংকুচিত হয়ে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, স্থানীয় জনগণ ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় তিন দিন আগে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারি ছুটির দিনেও ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা না রেখেই সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে জনগণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত জায়গা রেখে ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হোক।
আবেদনকারী হিমেল আহাম্মেদ বলেন, “রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যদি সাধারণ জনগণের কথা না ভাবে, তাহলে জনগণ কার কাছে যাবে? জনগণের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচলের নিশ্চয়তা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অন্যতম দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, সড়কটি সংকুচিত হয়ে গেলে জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশে সমস্যা হতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে পরপর তিনটি মোড় থাকায় সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্যের কাছে বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই করে সাধারণ জনগণের স্বার্থ, নিরাপদ চলাচল ও দীর্ঘমেয়াদি জনভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।


নিজস্ব প্রতিবেদক 

















