নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের হাজী বসির উল্লাহ সড়কে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ঘরটিতে বসবাসকারী মাইক্রোবাসচালক কাজী ইমন, তার মা ও ভাইয়ের স্ত্রী নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কাজী ইমনের বাবা নেই। তিনি মাইক্রোবাস চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করেন। ঘটনার সময় ইমন ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালিয়ে কক্সবাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশে ফিরছিলেন। নোয়াখালীর কাছাকাছি পৌঁছানোর পর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি খবর পান, তাদের বসতঘরে আগুন লেগেছে।
খবর পেয়ে দ্রুত বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন ইমন। তবে বাড়িতে পৌঁছাতে প্রায় ভোর ৪টা বেজে যায়। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, আগুনে ঘরটির সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘরটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এতে ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, পুড়ে যাওয়া ঘরটিই ছিল তাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল। আগুনে ঘরসহ আসবাবপত্র, পোশাক, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নিত্যব্যবহার্য বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে যাওয়ায় তারা এখন চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
পরিবারটি এই কঠিন সময়ে স্থানীয় দানশীল ব্যক্তি, বিত্তবান ও সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


আবদুল আজিজ সায়েম, কোম্পানীগঞ্জ 





















