Dhaka , Wednesday, 16 September 2026
ব্রেকিং নিউজ :
fa fa-square কবিরহাটে গভীর রাতে খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমার চুরি, চোর ধরতে পুলিশের অভিযান fa fa-square মায়ের আঁচল ছেড়ে উচ্চশিক্ষার পথে, দূর শহরে শিক্ষার্থীদের নীরব লড়াই fa fa-square নোয়াখালী জেলা যুবলীগ সভাপতি ইমন ভট্র গ্রেপ্তার, ছিলেন প্রায় দুই বছর আত্মগোপনে, fa fa-square কবিরহাটে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন fa fa-square নোয়াখালীতে মেঘনায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল কৃষকের fa fa-square কোম্পানীগঞ্জে সালিশে শাহীন হত্যা, ১৪ বছর পর আদালতের রায়: একজনের যাবজ্জীবন fa fa-square নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৩ fa fa-square নোয়াখালীর হাতিয়ায় আবারও শ্রেণীকক্ষে অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী fa fa-square নোবিপ্রবিতে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত fa fa-square সেনবাগে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের গোপন অভিযোগ বক্স স্থাপন

কোম্পানীগঞ্জে সালিশে শাহীন হত্যা, ১৪ বছর পর আদালতের রায়: একজনের যাবজ্জীবন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বহুল আলোচিত সাইদুল ইসলাম শাহীন হত্যা মামলায় মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ছয় আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ আলমের ছেলে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীর একই ওয়ার্ডের নূর নবীর ছেলে।

আদালতের রায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মামলার বিবরণ-

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সলিম উল্লাহর বসতবাড়ির সামনে সীমানার কড়ইগাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

পরে ওই বিরোধের বিষয়ে সালিশি বৈঠক বসে। এ সময় আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ছেলে সাইদুল ইসলাম শাহীনকে গলায় লোহার রড ঢুকিয়ে এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) তাপসকর হোসেন মো. খায়রুল ওয়ালা।

তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে খালাসপ্রাপ্ত চার আসামি ও তাদের জামিনদারদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয়

কবিরহাটে গভীর রাতে খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমার চুরি, চোর ধরতে পুলিশের অভিযান

কোম্পানীগঞ্জে সালিশে শাহীন হত্যা, ১৪ বছর পর আদালতের রায়: একজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত: 06:17:25 pm, Monday, 14 September 2026

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বহুল আলোচিত সাইদুল ইসলাম শাহীন হত্যা মামলায় মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ছয় আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ আলমের ছেলে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীর একই ওয়ার্ডের নূর নবীর ছেলে।

আদালতের রায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মামলার বিবরণ-

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সলিম উল্লাহর বসতবাড়ির সামনে সীমানার কড়ইগাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

পরে ওই বিরোধের বিষয়ে সালিশি বৈঠক বসে। এ সময় আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ছেলে সাইদুল ইসলাম শাহীনকে গলায় লোহার রড ঢুকিয়ে এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) তাপসকর হোসেন মো. খায়রুল ওয়ালা।

তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে খালাসপ্রাপ্ত চার আসামি ও তাদের জামিনদারদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।