নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নির্মাণাধীন বাউন্ডারি ভাঙচুর, নির্মাণসামগ্রী লুটপাট ও দারোয়ানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নুরুর রহমান, তার ছেলে আশিকুর রহমান আদনানসহ অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা নূর নবী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক ওয়ারিশ ও খরিদসূত্রে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া বাইপাস সড়কের পাশে একটি জমির মালিকানা দাবি করেন নূর নবী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি ভোগদখলে রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সেখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি।
নূর নবীর অভিযোগ, নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই নুরুর রহমান ও তার ছেলে আশিকুর রহমান আদনান কাজ বন্ধ রাখার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন। পাশাপাশি তারা টাকা দাবি করে হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে নুরুর রহমান ও আশিকুর রহমান আদনানের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা নির্মাণাধীন বাউন্ডারির আরসিসি বিম ও সংযুক্ত রড ভাঙচুর ও বাঁকা করে দেন। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে থাকা লোহার রড, ইট, বালু, সিমেন্ট ও কংক্রিটসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
নূর নবীর দাবি, এ ঘটনায় প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থলে থাকা নূর নবীর দারোয়ানকে ইট দিয়ে আঘাত করে আহত করা হয়। পরে অভিযুক্তরা অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় মামলা করলে, বিচার চাইলে কিংবা নির্মাণকাজ চালিয়ে গেলে তাদের হত্যা ও লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আহত দারোয়ান স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান নূর নবী। তিনি আরও জানান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করার পর কিছুটা বিলম্বে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরুর রহমান ও আশিকুর রহমান আদনানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে। পুলিশ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


নিজস্ব প্রতিবেদক 




















