সোমবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ডেগিরচরের একটি বনে মরদেহটি আটকে থাকতে দেখে স্থানীয়রা নৌ পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দুপুরে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে রাত ১০টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মরদেহটির পরনে একটি আন্ডারওয়্যার ও গায়ে একটি হাফ টি-শার্ট ছিল। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় মরদেহের চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় বা বয়স নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মেঘনা নদী থেকে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসে মরদেহটি বনের মধ্যে আটকে পড়ে।
এর আগে, গত ১৬ জুলাই হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের হাসি মার্কেটসংলগ্ন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি কেওড়া বাগান থেকেও এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। অল্প সময়ের ব্যবধানে একই উপজেলায় দ্বিতীয় অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, “মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।”
