নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের বিল ছাড়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
একাধিক প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, উপজেলার প্রায় ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কন্টিনজেন্সি বিল, বিদ্যুৎ বিল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ব্যয়, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনের বরাদ্দ, প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার উপকরণ ক্রয় এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের অর্থ ১২ জুলাই পেরিয়ে গেলেও এখনো ছাড় করা হয়নি।
ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দাবি, ঘুষ না দেওয়ায় এসব বিল আটকে রাখা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘অডিট খরচ’-এর কথা বলে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এ অর্থ সংগ্রহে কয়েকজন অসাধু প্রধান শিক্ষক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এর ফলে উপজেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিস এবং কয়েকজন শিক্ষক নেতার কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. আশরাফ-উল-আলম অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে বলেন,
“অফিসে জনবল সংকটের কারণে বিল প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আজই বিলগুলো ছাড় করে দেওয়া হবে। ঘুষ বা অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।”
এদিকে অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, বিল ছাড়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
বিঃদ্রঃ অভিযোগগুলো অভিযোগকারী শিক্ষকদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তদন্ত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের আগে অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়।
