হাতিয়া কণ্ঠ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক, প্রবীণ সাংবাদিক, লেখক, ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক এম. দিলদার উদ্দিন (অপু) (৬৫) আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে নোয়াখালী শহরের প্রাইম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মরহুম এম. দিলদার উদ্দিন নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ছৈয়দিয়া গ্রামের মরহুম আলী আহমদ মিয়ার নাতি এবং মরহুম জাহাঙ্গীর মিয়ার তৃতীয় পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।
তাঁর প্রতিষ্ঠিত হাতিয়া কণ্ঠ পত্রিকার মাধ্যমে দ্বীপাঞ্চল হাতিয়ার মানুষের সুখ-দুঃখ, সম্ভাবনা, সমস্যা ও ইতিহাস দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছেন। পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস ও বিভিন্ন সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে একজন সৃজনশীল লেখক হিসেবেও তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
তাঁর মৃত্যুতে হাতিয়াসহ নোয়াখালীর সাংবাদিক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলে, আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বাদ আসর তাঁর কালিতারা এলাকার নিজ বাড়ি-সংলগ্ন হাসপাতাল মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
সাংবাদিকতা ও সাহিত্যাঙ্গনে তাঁর অবদান হাতিয়ার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমের সকল গুনাহ ক্ষমা করুন, তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
