কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও রংমালা দারুস সুন্নাহ মডেল আলিম মাদরাসার পলাতক অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মামুন, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘লোময়ালা হুজুর’ নামে পরিচিত, তাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, বিএনপি-জামায়াতের কিছু নেতার সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে তিনি আবার এলাকায় ফেরার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় বিভিন্ন অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও মাদরাসাকেন্দ্রিক নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি এলাকা ছেড়ে ঢাকায় চলে যান এবং এরপর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন।
আবদুল্লাহ আল মামুন আলোচিত কোম্পানীগঞ্জ ৭ হত্যা মামলা ও সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা মামলার অন্যতম আসামি বলে জানা গেছে।
এছাড়া জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার উত্তরায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়ও তাঁর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে তাঁর এলাকায় ফেরার সম্ভাবনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, তাঁর ফিরে আসা এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। আবার অনেকে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
তবে বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় নেতাদের কয়েকজন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

