নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে একই রাতে পৃথক দুটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। ডাকাতির সময় স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ২টার দিকে মুছাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আহছান উল্যার বাড়িতে ৩-৪ জনের একটি দল দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় আহছান উল্যা বাধা দিলে ডাকাত দলের সদস্যরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করে। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বলে জানান তার পরিবারের সদস্যরা।
আহত আহছান উল্যার স্ত্রী জানান, ডাকাত দলের এক সদস্য তার স্বামীর গলায় ছুরি ধরে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। এ সময় তিনি তার স্বামীকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন এবং ডাকাতদের যা নেওয়ার নিয়ে যেতে বলেন। পরে ডাকাতরা আহছান উল্যার স্ত্রীর গলায় থাকা চেইন, কানের দুল এবং ঘরে থাকা আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য নুর ইসলাম ভূঁঞার বাড়িতেও একই রাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ৪ জনের একটি দল দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ডাকাতরা ঘরে থাকা গৃহবধূর গলায় ছুরি ধরে আলমারির চাবি দিতে বলে। চাবি দিতে দেরি হওয়ায় তারা আলমারি ভেঙে ফেলে। পরে আলমারি থেকে আনুমানিক এক ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এছাড়া শিশুর প্লাস্টিকের ব্যাংকে জমিয়ে রাখা আনুমানিক ৪-৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের দাবি, যাওয়ার সময় ডাকাতরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করলে শিশুকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে অপহরণ করে নেওয়ার হুমকি দেয়।
ঘটনার বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।


নিজস্ব প্রতিবেদক 

















