পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটতে গিয়ে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।
ছুরি, দা ও পশুর আঘাতে আহত এসব ব্যক্তি বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই হাত ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছেন। কেউ ছুরি ফসকে আহত হয়েছেন, আবার কেউ পশু নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছেন।
জেলা শহরের বাসিন্দা মাজহার রাকিব বলেন, “আজ হাসপাতালে অনেক ভিড় ছিল। সবাই গোশত কাটতে গিয়ে এমন আহত হয়েছে।”
নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. রানা চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ঈদের দিনে মাত্র ৬ ঘণ্টায় হঠাৎ কসাই সেজে মাংস কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩০ জন। হাত কাটা, পা কাটা কিংবা ছুরি ফসকে গিয়ে বিভিন্নভাবে আহত হয়ে তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “আহতদের বেশিরভাগই তরুণ ও মধ্যবয়সী ব্যক্তি। যারা সাধারণত চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। কোরবানির দিন পরিবার বা পাড়ার সম্মান রক্ষার্থে নিজেরাই কসাইয়ের কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। কারও হাতে ছুরি লেগেছে, কারও পা কেটে গেছে, আবার কেউ পশু জবাইয়ের সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।”
চিকিৎসকরা কোরবানির সময় সতর্কতা অবলম্বন এবং অভিজ্ঞ কসাইয়ের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

