নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২ নং চরপার্বতী ইউনিয়নকে সুশাসিত, ডিজিটালাইজড ও আধুনিক বাসযোগ্য মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আমেরিকা প্রবাসী সমাজ সেবক মোঃ জামাল বাহার।

আসন্ন চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি স্থানীয় জনগণের কাছে সমর্থন ও সেবা করার সুযোগ চেয়েছেন।

জামাল বাহার জানান, যুক্তরাষ্ট্রে অর্জিত সুশাসন, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নমূলক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে চরপার্বতী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

বিশেষ করে তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ, সুপেয় পানির টেকসই ব্যবস্থা, উন্নত যোগাযোগ অবকাঠামো এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন তাঁর পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য।

পাশাপাশি সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবাকে আরও স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। তাঁর মতে, একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সততা, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা।

নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুপ্রেরণা সম্পর্কে জামাল বাহার বলেন, ২ নম্বর চরপার্বতী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তাঁর বাবা মরহুম আবুল কালাম মাসুম রাজনীতি ও জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তাঁর পরোপকারী মনোভাব, জনসম্পৃক্ততা ও নেতৃত্বের স্মৃতি এখনো এলাকার মানুষের মধ্যে রয়েছে।

বাবার সেই জনসেবার ঐতিহ্য ধারণ করেই তিনি চরপার্বতী ইউনিয়নের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান বলে জানান।

জামাল বাহার দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও নিজের জন্মস্থান ও এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। তাঁর দাবি, বিগত সময়ে প্রচারের বাইরে থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

এখন এসব সামাজিক কর্মকাণ্ডকে আরও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে গিয়ে সরাসরি জনসেবায় যুক্ত হওয়ার প্রত্যাশা তাঁর।

স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর প্রার্থিতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক অবস্থান এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো সামনে আসেনি।

সব মিলিয়ে চরপার্বতী ইউনিয়নের উন্নয়ন, জনসেবা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ পেতে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মোঃ জামাল বাহার।