বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকায় আয়োজিত সমাবেশে যোগ দিতে কোম্পানীগঞ্জের শিক্ষক-কর্মচারীরা যাত্রা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৬টায় শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি ও হাজারীহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শেখ সাদী বাবুর নেতৃত্বে শিক্ষকরা ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত সমাবেশে যোগদানের উদ্দেশ্যে কোম্পানীগঞ্জ থেকে রওনা হন।
সমাবেশে এমপিওভুক্ত ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণসহ সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনের দাবি জানানো হবে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ও মাত্র ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। তারা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পেলেও সরকারি শিক্ষকদের মতো সন্তানদের শিক্ষা ভাতা ও শ্রান্তি-বিনোদন ভাতা পান না। অবসরকালীন সুবিধার ক্ষেত্রেও সরকারি শিক্ষকদের সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে বলে তারা জানান।
তাদের ভাষ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন সরকারি অর্থায়নে প্রদান করা হলেও বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, উৎসব ভাতা, শিক্ষা ভাতা, শ্রান্তি-বিনোদন ও অবসর সুবিধাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য বিদ্যমান। একই পেশায় দায়িত্ব পালন করা শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে এ বৈষম্য নিরসনে তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন।
শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের নেতারা বলেন, শিক্ষকদের মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ এবং বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন। এ দাবিতে দেশব্যাপী শিক্ষক-কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশ ও র্যালির মাধ্যমে এসব দাবি সরকারের কাছে তুলে ধরবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।