নোয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন সাবেক নেতা ও জনপ্রতিনিধির মুক্তির দাবিতে পোস্টারিং করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থান ও কবিরহাট থানার আশপাশে এসব পোস্টার দেখা যায়।

এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে পোস্টার লাগানোর বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

পোস্টারগুলোতে নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, হাতিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী ও আয়েশা আলী, নোয়াখালী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ পিন্টুসহ সারাদেশে গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ‘রাজবন্দি’ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

পোস্টারে এসব নেতাকর্মীকে ‘অবৈধভাবে গ্রেপ্তার’ করা হয়েছে দাবি করে তাদের অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সারাদেশে ‘অন্যায় ও জোরপূর্বক গ্রেপ্তার’ হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানানো হয়েছে।

পোস্টারের নিচে ৭ নম্বর বাটইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি জসিম উদ্দিন শাহীনের ছবি এবং নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব পোস্টার কারা, কখন এবং কীভাবে বিভিন্ন স্থানে লাগিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। পোস্টার লাগানোর ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে দেখছি।”

এ ছাড়া জেলার অন্যান্য থানার কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও পোস্টারিংয়ের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।

বিষয়টি জেলা পুলিশের নজরে আনা হলে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান।