নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের ছিলোনিয়া বাজারে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ছয়টি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর মধ্যে কয়েকটি দোকানের মালামাল ও স্থাপনা পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
অগ্নিকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে সোহেলের বিসমিল্লাহ স্টোর, আব্দুল জব্বার মিজির মেডিকেল হল, রতনের অফিস এবং উত্তম বাবুর স্যালুন। এছাড়া আশপাশের আরও কয়েকটি দোকানও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, গভীর রাতে আগুন লাগায় প্রথমদিকে অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেননি। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
আগুনে দোকানের মালামাল, আসবাবপত্র ও ব্যবসায়িক সরঞ্জাম পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে সবমিলিয়ে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ যাচাই-বাছাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ছিলোনিয়া বাজার কমিটির সভাপতি ইউনুস, সাধারণ সম্পাদক মজুসহ কমিটির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সান্ত্বনা দেন এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম হতাশা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে সরকারি ও বেসরকারিভাবে সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক লাইনের ত্রুটি বা শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।