নোয়াখালীর একটি এলাকায় আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন শতাধিক মানুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুসরণ অনুযায়ী তারা একদিন আগে ঈদের নামাজ আদায় করেন এবং উৎসবে অংশ নেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, জেলার অন্যান্য এলাকায় পরদিন ইসলামিক ফাউন্ডেশন নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঈদ উদযাপিত হবে। একই সঙ্গে মুসল্লিরা যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।

উল্লেখ্য, কাদেরিয়া তরিকা ইসলামের সুফিবাদের একটি প্রাচীন ও প্রভাবশালী ধারা। দ্বাদশ শতাব্দীতে প্রখ্যাত সুফি সাধক হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (র.)-এর মাধ্যমে এর সূচনা হয়। এই তরিকা আত্মশুদ্ধি, ইবাদত এবং জাগতিক ভোগবিলাস থেকে বিরত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর অসংখ্য অনুসারী রয়েছে।

নোয়াখালীর এই আগাম ঈদ উদযাপন শুধু একটি ধর্মীয় অনুশীলন নয়, বরং এটি দীর্ঘদিনের একটি ঐতিহ্য। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা এই রীতি আজও স্থানীয়ভাবে সংরক্ষিত ও পালিত হয়ে আসছে।