নির্বাচনি জনসভার অংশ হিসেবে নোয়াখালীতে বক্তব্য দিতে যাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান। এ উপলক্ষে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠ। তিল ধারণের ঠাঁই নেই সভাস্থলে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
সকাল ৯টায় জেলা জামায়াতের আমির ও নোয়াখালী-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে জনসভা শুরু হয়। এতে বক্তব্য রাখছেন স্থানীয় জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
মো. ইসহাক খন্দকার জানান, বেলা ১১টায় জনসভায় বক্তব্য দেবেন জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমান। এরপর তিনি লক্ষ্মীপুরে যাবেন। বিকেলে কুমিল্লার লাকসাম এবং সন্ধ্যায় কুমিল্লা টাউন হল ময়দানে পৃথক নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।
জনসভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম বিল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ, ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু. মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদী, তথ্য সম্পাদক মুহাম্মাদ সায়েদ সুমনসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
নোয়াখালীর ছয়টি আসনের জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা জনসভায় উপস্থিত রয়েছেন। ভোররাত থেকেই জেলার ৯ উপজেলার নেতাকর্মীরা জিলা স্কুল মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন।
জেলায় চারটি আসনে জামায়াত এবং দুটি আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী দিয়ে ভোটের মাঠে নেমেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি জোট।
সকাল সাড়ে ৯টায় জনসভাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, জিলা স্কুল মাঠ ছাড়িয়ে প্রধান সড়ক পর্যন্ত অবস্থান নিয়েছেন নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। বিপুল জনসমাগমের কারণে মাঠের প্রবেশপথে ভিড় জমে যায়।
মাইকে দেওয়া ঘোষণায় জেলা জামায়াতের আমির মো. ইসহাক খন্দকার বলেন, জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়েছে। শহরের বাসিন্দাদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

