ঢাকাবুধবার , ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
  1. আইন বিচার
  2. আজ দেশজুড়ে
  3. আজকের সর্বশেষ
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি সংবাদ
  6. খাদ্য ও পুষ্টি
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. চট্টগ্রাম
  10. চাকরি-বাকরি
  11. ছড়া
  12. জাতীয়
  13. জাতীয়
  14. জীবনযাপন
  15. ঢাকা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভাঙন অব্যাহত: বর্ষার আগেই জিও ব্যাগ ফেলার দাবি হাতিয়ার চর বগুলাবাসীর

হাতিয়া প্রতিনিধি.
জানুয়ারি ১৪, ২০২৬ ৮:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শীত মৌসুম চললেও থামছে না নদী ভাঙন। নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চরকিং ইউনিয়নের চর বগুলা গ্রামে অব্যাহত নদী ভাঙনে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে বেড়িবাঁধসহ পুরো জনপদ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষার আগেই ভাঙন রোধ করা না গেলে যে কোনো সময় বেড়িবাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে শীত মৌসুমেই জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন রোধের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে চর বগুলা গ্রামের পশ্চিম পাশের নদীতীরে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এতে গ্রামের বৃদ্ধ, যুবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা একাত্মতা প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে চর বগুলা গ্রামটি নদী ভাঙনের শিকার। আগে ভাঙনের গতি তুলনামূলক কম থাকলেও বর্তমানে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাঝ নদীতে ডুবো চর জেগে ওঠায় স্রোতের গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে, ফলে এই এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়েছে।
তারা জানান, ভাঙন এখন বেড়িবাঁধের একেবারে কাছে চলে এসেছে। এই বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে ভাঙনের গতি আরও ভয়াবহ হবে। তখন গ্রামের একমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চারটি মসজিদ, একটি বাজারসহ অসংখ্য বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নদীর একেবারে তীরেই অবস্থিত চর বগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। তিনতলা বিশিষ্ট এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাসার বলেন, প্রতিদিন বিদ্যালয়ে বসে নদীর গর্জন শুনতে হয়। বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার আগেই ভাঙন রোধ করা না গেলে পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। তখন ভাঙন ঠেকাতে অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হবে। এখন মাত্র এক কিলোমিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেললেই বড় ধরনের ক্ষতি থেকে গ্রামটিকে রক্ষা করা সম্ভব। বিষয়টি একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে এবং তারা এলাকা পরিদর্শনও করেছেন।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, চর বগুলা গ্রামের পশ্চিম পাশে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বর্ষার আগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে স্থানীয়রা আবেদন করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শনে যাওয়া হবে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে চর বগুলা গ্রামে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে

আমাদের সাইটে আমরা নিজস্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি দেশের এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করে নির্ভুল সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। আমরা সবসময় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে, যদি কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম বা নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য। এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।
%d bloggers like this: