চাটখিল প্রতিনিধি-
নোয়াখালীর খবর-
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পরকোট ইউনিয়নের রামদেবপুর গ্রামে শিক্ষকের স্ত্রী সুইটি ইসলাম (২৮)–কে ধর্ষণের চেষ্টা ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে একই বাড়ির এ কে এম আবদুল্লাহ মোতালেব (৫৫), তার স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সুইটি ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরে চাটখিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, সুইটি ইসলামের স্বামী হুমায়ুন কবির মল্লিকা দীঘির পাড় ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তার অনুপস্থিতির সুযোগে একই বাড়ির জয়াগ রশিদিয়া আলিম মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল এ কে এম আবদুল্লাহ মোতালেব সুইটির ঘরে প্রবেশ করে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন এবং জাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে মোতালেব ঘর থেকে বের হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তিনি তার স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৪৮) ও মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (২৫)–কে নিয়ে এসে সুইটি ইসলামকে ঘরের সামনে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। মারধরের একপর্যায়ে মোতালেব ইট দিয়ে আঘাত করে সুইটির পায়ের নখ উপড়ে ফেলে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সুইটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা সরে যায়। পরে স্বামী হুমায়ুন কবির বাড়িতে ফিরে এসে আহত স্ত্রীকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ভাইস প্রিন্সিপাল এ কে এম আবদুল্লাহ মোতালেব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “অভিযোগটি সঠিক নহে।”
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

