সেনবাগ উপজেলায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মোঃ সোহেল (৩৫) নামে এক অটোরিকশা চালককে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার নতুন বাজার এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
পুলিশ জানায়, আটক অটোরিকশা চালক মোঃ সোহেল উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি এলাকার সিদ্দিক উল্যাহর নতুন বাড়ির ছিদ্দিক উল্লাহ ও নুর নাহারের ছেলে। আটকের পর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে এক শিশুকে (৭) তার বাবা বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য কিছু তালের ডাব সহ অভিযুক্ত সোহেলের অটোরিকশায় তুলে দেন।
অটোরিকশাটি ভিকটিমের বাড়ির সামনে পৌঁছালে অসাবধানতাবশত শিশুটির হাত থেকে একটি তালের ডাব নিচে পড়ে যায়।
এ সময় ডাব তুলে দেওয়ার অজুহাতে অটোরিকশা চালক সোহেল শিশুটির ঠোঁটে চুমু দিয়ে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করে। ঘটনাটি দূর থেকে শিশুটির মা দেখে ফেললে অটোরিকশা চালক দ্রুত গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে রোববার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত চালক সোহেলকে উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় দেখতে পেয়ে আটক করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দেয় এবং জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
খবর পেয়ে সেনবাগ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের হাত থেকে অভিযুক্ত সোহেলকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।বর্তমানে অভিযুক্ত অটোরিকশা চালক সেনবাগ থানা হেফাজতে রয়েছে।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাহ (ওসি) আবদুর রহিম সরকার বলেন, ‘সাত বছরের একটি শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে সোহেল নামে এক অটোরিক্সা চালককে আটক করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় সোহেলকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরে হয়েছে। অভিযুক্ত সোহেলকে সোমবার দুপুরে নোয়াখালীর শিশু আদালতে পাঠানো হয়।’
সম্পাদক হিমেল আহাম্মেদ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত