নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ছোট ফেনী নদীর অব্যাহত ভাঙনে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা। ভাঙনের তীব্রতায় অনেক পরিবার ইতোমধ্যে ভিটেমাটি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
মুছাপুর রেগুলেটর ভাঙার পর বেড়েছে তীব্রতা-
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট মুছাপুর রেগুলেটর ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই নদীতে পানির তীব্র স্রোত বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শুরু হয় ভয়াবহ নদী ভাঙন। গত কয়েক মাসে ভাঙনের মাত্রা ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
হুমকির মুখে শত শত বসতভিটা-
বর্তমানে চরপার্বতী ইউনিয়নের মৌলভী বাজার, কদতমলা ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় অন্তত ২০০ থেকে ৩০০টি পরিবার পুরোপুরি গৃহহীন হয়ে পড়বে। ভুক্তভোগীরা জানান, তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। রাতেও ভাঙনের আতঙ্কে স্বাভাবিক ঘুম হচ্ছে না।
জরুরি বাঁধ নির্মাণের দাবি-
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুম পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
নদীভাঙন রোধে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলা, ব্লক বসানো এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে অচিরেই শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
সম্পাদক হিমেল আহাম্মেদ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত