জেলার কবিরহাট কোম্পানীগঞ্জ ও অর্শদিয়ায় সামাজিক কাজ করে আলোচনায় ওমর আলী রাজ,পবিত্র মাহে রমজানে প্রতি নিয়ত ইফতার সামগ্রীর বিতরন করে গেছেন।
তাছাড়া বিভিন্ন এতিম খানায় ইফতার মাহফিলের ও আয়োজন ছিল বেশ, এলাকায় গরীব সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে অভিবাবকের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ওমর আলী।
এতিমদের একটু সুখ ভাগাভাগি করে নিতে ওমর আলী রাজের উদ্যোগ জেলার সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবার আলো ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কয়েকটি কাজ সম্পন্ন করতে দেখা গেছে।
তাছাড়া এলাকায় বেকার যুবকদের বেকারত্ব কমাতে শত শত যুবক কে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে, এলাকার গরীব মেয়েদের বিবাহ্ সহ সকল সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে রাজ।
অন্য দিকে এলকাবাসী বলেন তাঁর হৃদস্পন্দন জড়িয়ে আছে নোয়াখালীর মানুষের সঙ্গে,তাঁর মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং দায়িত্ববোধ একটুও কমেনি। বরং সময়ের সাথে সাথে তা আরও গভীর ও শক্তিশালী হয়েছে।
মানুষের কল্যাণের জন্য তিনি তাঁর সময়, শ্রম এবং সম্পদ অকাতরে ব্যয় করে যাচ্ছেন। যখনই মানুষ তাঁর প্রয়োজন বোধ করেছে, তিনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই পবিত্র রমজান মাসে তিনি নোয়াখালী–৫ আসনের হাজার হাজার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করছেন।
কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলার অসংখ্য মানুষ তাঁর এই উদ্যোগ থেকে উপকৃত হচ্ছেন। এতিমখানা, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং হাসপাতালেও তিনি ইফতারের ব্যবস্থা করেছেন। তাঁর উদারতায় আজ অসংখ্য মানুষ ইফতার করতে পারছে।
শুধু ইফতার বিতরণেই নয়, নীরবে তিনি নোয়াখালী–৫ এলাকার অসহায় ব্যক্তি ও পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করছেন। তিনি এসব কিছু করছেন না কোনো স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য, না ক্ষমতার জন্য, না কোনো প্রতিদানের আশায়—তিনি শুধু চান তাঁর মানুষের দোয়া এবং ভালোবাসা।
নোয়াখালীতে আমাদের আরও অনেক ওমর আলী রাজের প্রয়োজন। এই অঞ্চলে অনেক ধনী মানুষ আছেন, কিন্তু সমাজের জন্য তাঁর মতো করে খুব কম মানুষই এগিয়ে আসেন। যদি আরও মানুষ তাঁর মতো সমাজের জন্য কাজ করতেন, তাহলে নোয়াখালীর দারিদ্র্য অনেকটাই কমে যেত এবং আমাদের মানুষের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হতো।
অন্য দিকে ওমর আলী রাজ বলেন আমি নিতে আসি নি দিতে এসেছি, বেশি কিছু বলবো না শুধু এইটায় বলি যতদিন বেঁচে আছি আমি আর আমার পরিবার মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে যাবো।
সম্পাদক হিমেল আহাম্মেদ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত