নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা থাকলে তারা দেশের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখতে পারবে এবং কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়াবে না।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রয়াত নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকাস্থ নোয়াখালী-৫ আসনের জাতীয়তাবাদী ফোরামের উদ্যোগে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
ফখরুল ইসলাম বলেন, শুধু ওয়াজ-নসিহত করলেই হবে না, মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি মানুষের আয়-রোজগারের পথ তৈরি করা না যায়, তাহলে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা থেকেই যাবে।
তাই রাষ্ট্রের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী আছেন যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল। তাদের কর্মসংস্থানের প্রয়োজন রয়েছে এবং তাদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করা আমাদের দায়িত্ব।
সরকারের পরিকল্পনায় বড় পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার মতে, চলতি বছরেই প্রায় এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশে ফিরে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন এবং দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। “জীবন বাংলাদেশ আমার, মরণ বাংলাদেশ”— এই বিশ্বাস ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সালের সভাপতিত্বে এবং শাহজাহান কামাল ও ইব্রাহিম খলিল শাহেদের সঞ্চালনায় আয়োজিত ইফতার মাহফিলে নোয়াখালী-৫ আসনের প্রায় দুই শতাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আহছানুল্লাহ মানিক, কবিরহাট পৌরসভা বিএনপি নেতা তৌহিদুল ইসলাম পলাশসহ আরও অনেকে।

