নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়ায় এক মসজিদের ইমামকে তারাবির নামাজ শেষে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ৭ নম্বর চরবগুলা ওয়ার্ডের একটি মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, তারাবির নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় ইমাম মাওলানা রবিউল হোসাইনকে একদল ব্যক্তি টেনেহিঁচড়ে নিয়ে বেদম মারধর করে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক নির্বাচনে তিনি ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই ঘটনার জের ধরেই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরবগুলা এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২৪), আবুল হোসেনের ছেলে রুবেল (২৬), ওসমান, সুমন, কালা মিরাজসহ আরও কয়েকজন এতে জড়িত ছিলেন। মারধরে ইমাম আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চরকিং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, হামলায় জড়িতরা বিএনপির কেউ নন।
তাদের সবাই আওয়ামী লীগের লোক বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তারা বিএনপি প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের পক্ষে কাজ করলেও দলীয়ভাবে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ঘটনায় বিএনপির বদনাম হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
একই প্রসঙ্গে হাতিয়ার সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িতরা এখন বিএনপির আশ্রয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। তিনি প্রশাসনের প্রতি দোষীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের আহ্বান জানান।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া
সম্পাদক হিমেল আহাম্মেদ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত