হিমেল আহাম্মেদ নোয়াখালীর খবর-
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দীর্ঘদিনের দাবি মুছাপুর রেগুলেটর পুনর্নির্মাণ ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নোয়াখালী-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম।
শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানস্থ মন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুছাপুর রেগুলেটর পুনর্নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা, ভাঙনের প্রভাব এবং স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরেন এমপি ফখরুল ইসলাম।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু তাৎক্ষণিকভাবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
তিনি প্রকল্পটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত সময়ের মধ্যেই এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।
পটভূমি–
ছোট ফেনী নদীর ওপর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৩২.৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২৩ ভেন্টবিশিষ্ট মুছাপুর রেগুলেটরটি গত ২৬ আগস্ট ২০২৪ সকালে অতিরিক্ত বন্যার পানির চাপে ভেঙে নদীতে তলিয়ে যায়।

জানা যায়, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়ন ও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমানায় ২০০৫ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রেগুলেটরটি নির্মাণ করা হয়।

এর উদ্দেশ্য ছিল সোনাগাজী ও নোয়াখালী অঞ্চলের প্রায় ১.৩০ লাখ হেক্টর জমির ফসলকে লবণাক্ততা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিস্তীর্ণ এলাকা রক্ষা করা।
রেগুলেটরটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
পুনর্নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

