নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি. এম. মোশাররফ হোসেনের দিকনির্দেশনায় এবং বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) পাপেল রায়, এসআই (নিঃ) কতুব উদ্দিন খান লিয়ন, এসআই (নিঃ) নুরুজ্জামান, এসআই (নিঃ) জসিম আল মামুনসহ সঙ্গীয় ফোর্স বেগমগঞ্জ থানাধীন চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর হাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-
১. জহিরুল ইসলাম হৃদয় (২৮), পিতা মৃত শহিদ উল্যা।
২. এনামুল হক সজিব (২২), পিতা মৃত শহিদ উল্যা।
৩. আলেয়া বেগম (৪৫), স্বামী মৃত শহিদ উল্যা।
৪. সুইটি আক্তার (২১), স্বামী জহিরুল ইসলাম হৃদয়।
তাদের সকলের বাড়ি চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর হাজীপুর (আসলাম সর্দার বাড়ি) এলাকায়।
এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা নম্বর-০৬, তারিখ ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ধারা ১৪৭/১৮৬/৩৩২/৩৫৩/৩০৭/৪২৭/৩৪ পেনাল কোডে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল এসআই (নিঃ) জাকির হোসেনের নেতৃত্বে চৌমুহনী পৌরসভার উত্তর হাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম হৃদয়কে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে। আটককৃত আসামিকে রিকুইজিশন করা হায়েস গাড়িতে তোলার সময় তার সহযোগী ও অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
হামলার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার দুই কনস্টেবল শাহাদাৎ হোসেন ও মঞ্জুরুল ইসলাম আহত হন। এ সময় পুলিশের ব্যবহৃত গাড়ির একটি দরজার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।
পরবর্তীতে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

