নোয়াখালীর খবর ডিজিটাল ডেস্ক :
বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দলের প্রয়াত কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সহধর্মিণী ও আসিফ মওদুদ ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ। তিনি বলেন, দল তাঁকে মনোনয়ন না দিয়ে একজন অপরীক্ষিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছে। এ বিষয়ে জনগণই বিচার করবেন কার কী দান রয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে আসিফ মওদুদ ফাউন্ডেশন বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর বৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আসিফ মওদুদ ফাউন্ডেশন বৃত্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি হাজী ছানা উল্যাহ খান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক গোলাম সরওয়ার। বৃত্তি পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হাজী মো. সোহরাব হোসেন শামীম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, আপনারা যাকে যোগ্য মনে করবেন,তাকেই ভোট দেবেন।
তিনি আরও বলেন, প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, নোয়াখালী অঞ্চলের গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক যোগাযোগ এবং উপজেলা উন্নয়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। রাজনৈতিক কারণে একসময় নোয়াখালী–৫ আসন থেকে অশ্বদিয়া ইউনিয়ন বাদ পড়লেও বর্তমানে তা পুনরায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ওই এলাকায় বিএনপির শক্তিশালী ভোটব্যাংক রয়েছে বলে দাবি করেন হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ।
হাসনা জসীম উদ্দীন মওদুদ বলেন, শিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি নিজে একজন শিক্ষক এবং তাঁর পরিবারেও শিক্ষার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। তাই শিক্ষা নিয়েই তাঁর ভাবনা ও কাজ। তিনি জানান, বর্তমানে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পরিচালিত আসিফ মওদুদ ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা ভবিষ্যতে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বৃত্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্য মেসবাহ উদ্দিন পলাশ ও কামাল উদ্দিন শাহেদ। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেয় মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী মানহা তাজরীন।
বৃত্তি পরীক্ষার সাবেক শিক্ষার্থী,২০০৩ সালের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন স্মৃতিচারণ করেন। বর্তমানে তিনি চরহাজারী মহিলা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক।
এ বছর তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১৮০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি, নগদ অর্থ ও সনদ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

