আরমান হোসেন-
নোয়াখালীর খবর-
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসীদের গুলির ঘটনায় নোয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ছাত্র-জনতা। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদী বড় মসজিদ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “জুলাইয়ের অন্যতম শক্তি শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা একটি সুপরিকল্পিত ঘটনা। তাকে টার্গেট করেই সন্ত্রাসীরা গুলি চালিয়েছে।” তারা হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেন। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরমান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ওসমান হাদি সম্মুখসারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। গণঅভ্যুত্থানকে মন থেকে ধারন করা একজন মানুষকে হত্যার উদ্দেশে প্রকাশ্যে গুলি করে পালিয়ে গেছে অপরাধীরা। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ—দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।”
আরেক বিক্ষোভকারী মাজহারুল ইসলাম বলেন, “এই হামলার পেছনে যে পরিকল্পনাকারীরা আছে, তাদের সবাইকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।”
বিক্ষোভকারীরা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই ধরনের নৃশংসতা নোয়াখালীর শান্ত পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মাত্র। দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে তারা কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।
সম্পাদক হিমেল আহাম্মেদ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত