নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার হাটপুকুরিয়া ইউনিয়নে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এক সমন্বয়কের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ৯ আগস্ট বিকেলে হাটপুকুরিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন ও তার ভাই সোহাগের নেতৃত্বে রনি, ফাহাদসহ ৭-৮ জনের একটি দল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চাটখিল উপজেলার সাবেক সমন্বয়ক সামির হোসেনের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ সময় সোহাগ ও শাহাবুদ্দিনের অপর ভাই, স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হারুনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে সামিরকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে হাটপুকুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান শাহিন (শাহিন মাস্টার) ও ছাত্রদল নেতা শরিফুর রহমান আপনও হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রথম দফার হামলার পর ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিতে চাটখিল থানায় আসেন।
এ সময় থানার পাশের মহাসড়কে সোহাগের নেতৃত্বে চাটখিল পৌরসভা জামায়াত-শিবিরের এক নেতার ওপর দ্বিতীয় দফায় হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে রবিউল, সুজন ও শাহীন নামে আরও তিনজন আহত হন।
পরে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বিএনপি এবং জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শাহাবুদ্দিন ও তার ভাই সোহাগসহ আরও পাঁচজন আহত হন বলে জানা গেছে।
দুই দফা সংঘর্ষে আহত ১১ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
চাটখিল থানা সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষ থেকে লিখিত পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সম্পাদক হিমেল আহাম্মেদ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত